গঠনতন্ত্র
গঠনতন্ত্র
চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন
রেজি: নং- চট্ট- ২৩৪।
“গঠনতন্ত্র”
ধারাঃ ১ - নাম
ইহা চট্টগ্রাম শুল্ক ভবনের অধীনে লাইসেন্স প্রাপ্ত ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ নামক প্রতিষ্ঠান সমূহে কর্মরত কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ট্রেড ইউনিয়ন। ইহার নাম হবে “চট্টগ্রাম কাস্টমস্ এজেন্টস্ এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন”। পরবর্তী ধারা সমূহে “ইউনিয়ন” নামে অভিহিত হবে।
ধারাঃ ২- ঠিকানা
অত্র ইউনিয়নের রেজিষ্টার্ড অফিস ১ নং জেটি গেইট জামে মসজিদ সংলগ্ন, বারিক বিল্ডিং, বন্দর, চট্টগ্রামে অবস্থিত। প্রয়োজন বোধে ইহা চট্টগ্রাম পৌর এলাকার যে কোন সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তরিত করা যাইবে। ঠিকানা পরিবর্তন করা হইলে পরিবর্তনের ১৫(পনের) দিনের মধ্যে তা রেজিষ্ট্রেশন সনদপত্রে অন্তর্ভূক্ত করিয়া নিতে হইবে।
ধারাঃ ৩- উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
(ক) অত্র ইউনিয়ন সম্পূর্ণ ভাবে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচালিত হইবে।
(খ) ইউনিয়নের প্রতিটি সদস্যের আর্থিক ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট হওয়া ।
(গ) সদস্যদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বমূলক সৌহাদ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখা ।
(ঘ) কর্মচারী ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়িয়া তোলা, যদি কখনও তাহাদের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দেয় তাহা হইলে ইহার সুষ্ঠ ও সম্মানজনক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা ।
(ঙ) সদস্যদের জন্য উপযুক্ত বেতন ভাতাসহ ন্যায় সংগত কার্যক্রমের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে বিধি মোতাবেক চাকুরী এবং জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করা এবং সর্বপ্রকার জুলুম ও অন্যায়ের প্রতিরোধ কল্পে উদ্যোগী হওয়া।
(চ) ইউনিয়নের সদস্যদের বেকারত্ব, রোগ, শারীরিক-অক্ষমতা, বার্ধক্য এবং মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(ছ) ইউনিয়নের স্বার্থে কাজ করিতে গিয়া যে সকল সাধারণ সদস্য অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তা কোন প্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হইবেন অথবা চাকুরী হারাইবেন, তাহাদের অত্র ইউনিয়ন থেকে আর্থিক সাহায্য ও যথোপযুক্ত পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা ।
(জ) বাংলাদেশে প্রচলিত যে কোন ট্রেড ইউনিয়ন অথবা অনুরূপ কোন শ্রমিক সংস্থার ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত হইয়া বা অনুমোদন লাভ করিয়া সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার্থে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার জন্য কাজ করিয়া যাওয়া।
(ঝ) গঠনতন্ত্রের বিধির সহিতে সামঞ্জস্য রাখিয়া ইউনিয়নের তহবিল গঠন করা।
(ঞ) সাধারণ সদস্যদের জন্য গঠিত কল্যান তহবিল যথাযথভাবে বিলি বন্টনের ব্যবস্থা করা ৷
ধারাঃ ৪- সাধারণ সদস্য পদ
ক) চট্টগ্রাম শুল্ক ভবনের অধীনে লাইসেন্স প্রাপ্ত ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ সমূহে কর্মরত এবং চট্টগ্রাম কাস্টমস্ হাউস কর্তৃক কাস্টম সরকার লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যক্তি যাহাদের বয়স ৩৫(পঁয়ত্রিশ) বছরের মধ্যে রয়েছে তাহারা জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে অত্র ইউনিয়নের সদস্য পদের জন্য আবেদন করিতে পারিবে।
খ) সকল সদস্য প্রার্থীকে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর ৫৫ (ক) ফরমে সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করিতে হইবে। আবেদন পত্রের সহিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয় পত্র ও কাস্টম সরকার লাইসেন্স এর ফটোকপি কার্যনির্বাহী কমিটির যে কোন কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে দাখিল করতে হইবে। আবেদনটি কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদিত হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত ভর্তি ফি ও অন্যান্য দেয় পরিশোধ পূর্বক সদস্য পদ লাভ করিতে পারিবেন। এই ক্ষেত্রে আবেদনকারী সাধারণ পরিষদের নিকট উহা পুনঃবিবেচনার জন্য আপীল করিতে পারিবেন।
ফরম ৫৫(ক)
[ধারা ১৭৯ (১) (গ) এবং বিধি ১৬৭ (১) দ্রষ্টব্য]
ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য হইবার আবেদন ফরম
ইউনিয়নের নাম :
তারিখ :
সাধারণ সম্পাদক,
…………………………….
……………………………..
জনাব, আমি _______________ এর সদস্য পদের জন্য এতদ্বারা আবেদন করিতেছি। আমি সর্তকতার সহিত ট্রেড ইউনিয়নের গঠনতন্ত্রের বিধান সমূহ পড়িয়াছি/ পড়িয়া শুনানো হইলে বুঝিয়াছি এবং উহা মানিয়া চলিতে প্রস্তুত রহিয়াছি।
আমার বিবরণ নীচে প্রদত্ত হইল :-
১ নাম ____________________________________________
২ পিতা __________________________________________
৩ মাতা __________________________________________
৪ স্বামী/স্ত্রী ______________________________________
৫ জাতীয় পরিচয় পত্র নং (যদি থাকে) ______________
৬ বয়স _________________________________________
৭ প্রতিষ্ঠানের নাম ও কর্মক্ষেত্র _____________________
৮ প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও নিবন্ধন নং (মালিকের সংগঠনের জন্য প্রযোজ্য)____________
৯ প্রতিষ্ঠান পুঞ্জের ক্ষেত্রে পেশা/প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা _____________
১০ বিভাগ/শাখা/কর্মক্ষেত্র ও পদবী এবং পরিচয়পত্র নং (টোকেন যদি থাকে)_____
১১ চাকরির ধরন - স্থায়ী/বদলি/সাময়িক/অস্থায়ী/শিক্ষানবীশ/শিক্ষাধীন_______
১২ বর্তমান চাকরিতে যোগদানের তারিখ_______________
১৩ ঠিকানা ক) বর্তমান_______________________________
খ) স্থায়ী__________________________________
আমি ঘোষণা করিতেছি যে, ধারা ১৯৩ অনুযায়ী আমি অন্য কোন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য নহি ।
স্বাক্ষর _____________________
তারিখ ____________________
ধারাঃ ৫- সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য
ক) প্রত্যেক সাধারণ সদস্য প্রতি মাসে ২০(বিশ) টাকা মাসিক চাঁদাসহ কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ধার্যকৃত অন্যান্য দেয় অবশ্যই পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন। অত্র গঠনতন্ত্রের অন্যত্র যাহাই উল্লেখ থাকুক না কেন প্রত্যেক সদস্য স্ব - শরীরে উপস্থিত হইয়া কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক হালনাগাদ নবায়নকৃত কাস্টম/যেটি সরকার লাইসেন্স প্রদর্শন পূর্বক প্রত্যেক সদস্যের ওয়েব ক্যামেরায় ছবি ধারণ, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ এবং QR কোড সম্বলিত পরিচয় পত্র(ডিজিটাল কার্ড) প্রদানের পদ্ধতি অনুসরণ করে চলতি ইংরেজি সনের ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে ইউনিয়নের ধার্য্যকৃত সমুদয় দেয় পাওনাদি পরিশোধ পূর্বক ইউনিয়নের স্ব স্ব পরিচয় পত্র পরবর্তী বছরের জন্য নবায়ন করিয়া নিতে বাধ্য থাকিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ ইচ্ছা করিলে উপযুক্ত কারণে যে কোন সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ ০৬(ছয়) মাসের মাসিক চাঁদা ও অন্য যেকোন দেয় মওকুফ করার ক্ষমতা রাখিবেন।
খ) প্রত্যেক সাধারণ সদস্য গঠনতন্ত্রের প্রত্যেকটি ধারা, উপ - ধারা মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা/বিশেষ সাধারণ - সভায় গৃহীত যে কোন সিদ্ধান্ত অবশ্যই মানিয়া চলিবে। কোন সাধারণ সদস্য এমন কাজ করিবেনা যাহা ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সদস্যের স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবেচিত হয়।
গ) কোন সাধারণ সদস্য যদি কর্মরত সিএন্ডএফ এজেন্ট হইতে চাকুরী হারায় বা চাকুরী ছাড়িয়া দেয় এবং নতুন কোনো অফিসে চাকুরী গ্রহণ করে তবে সেক্ষেত্রে উক্ত সদস্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বাধিক এক মাসের মধ্যে বিস্তারিত বিবরণ সহ লিখিতভাবে ইউনিয়নকে জানাইতে বাধ্য থাকিবে।
ঘ) কোন সদস্য ইউনিয়নের সমুদয় দেয় পাওনাদি পরিশোধ পূর্বক স্ব স্ব পরিচয় পত্র পর পর ০২(দুই) বার নবায়ন না করিলে তিনি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন মর্মে প্রমাণ করণের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় দাখিল করিবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ তাহার সদস্যপদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
ধারাঃ ৬- সদস্যপদ বাতিল
(ক) ৩য় ও ৫ম ধারা বা উপধারা মানিয়া চলিতে ব্যর্থ হইলে সেক্ষেত্রে যে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। কোন সদস্য সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকিয়া ভিন্নতর কর্মক্ষেত্র/পেশায় নিয়োজিত হইলে যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে তাহার সদস্যপদ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। তবে সদস্যপদ বাতিলের পূর্বে উক্ত সদস্যকে আত্মপক্ষ সমর্থন এর সুযোগ প্রদান করিতে হইবে। সদস্যপদ বাতিলকৃত ব্যক্তি পূনরায় সিএন্ডএফ চাকুরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত হইলে তিনি অত্র গঠনতন্ত্রের ধারা-৪ এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নতুন সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।
(খ) ন্যায় সংগত কারণ ব্যতীত কোন সাধারণ সদস্য যদি বার্ষিক সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক আহুত কোন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ না করে সেক্ষেত্রে তাহার সদস্য পদ বাতিলের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ
করিতে পারিবেন
(গ) ইউনিয়ন, কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সদস্যদের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করিলে, কোন সত্য গোপন করিলে, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করিলে অথবা প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশে অনীহা বা বিলম্ব করিলে, সেক্ষেত্রে উক্ত সদস্যের সাধারণ সদস্যপদ বাতিলের লক্ষ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদ নিয়মবিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।
ধারাঃ ৭- সদস্যদের সুবিধাদি
প্রত্যেক সদস্য ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধাদি নিয়ম মোতাবেক ভোগ করিতে পারিবে। কোন সদস্য অত্র গঠনতন্ত্রের কোন ধারা বা উপ-ধারা লংঘন পূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক দোষী বলিয়া সাব্যস্ত হয় সেক্ষেত্রে উক্ত সদস্য ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক কোন সুবিধা ভোগ করিতে পরিবেনা।
ধারাঃ ৮- সদস্যদের তালিকা খাতা
বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর ৫৮ (ক) মোতাবেক ইউনিয়ন একটি চাঁদার রেজিষ্টার সংরক্ষণ করিবেন। ইউনিয়নের যে কোন কর্মকর্তা অথবা চাঁদা দানকারী যে কোন সদস্য অফিস চলাকালীন সময়ে উহা পরীক্ষা করিয়া দেখিবার জন্য খুলিতে পারিবেন। তবে এই ক্ষেত্রে কর্মকর্তা বা সদস্যকে কার্যকরী পরিষদের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে ।
ধারাঃ ৯- গঠনতন্ত্র সংগ্রহ
ইউনিয়নের প্রত্যেক সদস্য দরখাস্ত সহকারে ১০০ (একশত) টাকা জমা দিয়া এক কপি গঠনতন্ত্র সংগ্রহ করিতে পারিবে। গঠনতন্ত্রের ধারা, উপধারা গুলির ব্যাপারে অজ্ঞতা কোন সদস্যের ক্ষেত্রে নির্দোষ মূলক বলে গন্য হইবে না ।
ধারাঃ ১০- সাধারণ তহবিল
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ও বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী এবং অত্র গঠনতন্ত্রের ৩য় ধারায়। বর্ণিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও ইউনিয়নের উন্নতি বিধান কল্পে সাধারণ তহবিল হইতে টাকা খরচ করা যাইবে। ইউনিয়নের যাবতীয় আয় এই তহবিলের অর্ন্তভুক্ত হইবে। ইউনিয়নের আয়ের উৎস হইবে ভর্তি ফিস, মাসিক চাঁদা, বিশেষ চাঁদা, আপদকালীন চাঁদা এবং অন্যান্য দেয় সাহায্য ইত্যাদি।
ধারাঃ ১১- অন্যান্য তহবিল
ইউনিয়ন ইচ্ছা করিলে সদস্যদের আর্থিক আয় ও অন্যান্য সুবিধার জন্য আরও তহবিল খুলিতে পারিবে, যেমন- রিজার্ভ ফান্ড, বিল্ডিং ফান্ড, আবাসন ফান্ড, চিকিৎসা ফান্ড, শিক্ষা ফান্ড, কল্যাণ ফান্ড, সাংস্কৃতিক ফান্ড, বিনোদন ফান্ড ইত্যাদি। কিন্তু এই সব তহবিলগুলিতে বাংলাদেশ সরকারের ট্রেড ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রকের নিকট বাৎসরিক হিসাব দাখিলের সময় সাধারণ তহবিল হিসাবে দেখাইতে হইবে।
ধারাঃ ১২- কল্যাণ তহবিল
(ক) “চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী কল্যাণ তহবিল” চট্টগ্রাম কাস্টমস্ এজেন্টস্ এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের সদস্যভূক্ত সিএন্ডএফ এজেন্টস্ কর্মচারীদের জন্য গঠিত। এই কল্যাণ তহবিলের অর্থ উত্তোলন ও বিতরণ বিধিমালার নিয়মবিধি মোতাবেক পরিচালিত হইবে। প্রয়োজনবোধে কল্যাণ তহবিল দ্বারা সাধারণ সদস্যগণের কল্যাণের লক্ষ্যে গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা এবং উপ-ধারা সমূহ অনুসরন পূর্বক বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে কার্যনির্বাহী পরিষদ যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবেন। তবে এতদ্ব্যাপারে তহবিলের সম্পূর্ণ নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য রাখিতে হইবে।
(খ) কল্যাণ তহবিলের টাকা বিতরণের ক্ষেত্রে অবসর ও মৃত্যুকালীন সদস্যদের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র এবং বিধিমালা সংযুক্ত করে কমিটির নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে অত্র ইউনিয়নে দাখিল করিলে দপ্তর সম্পাদক কর্তৃক যাবতীয় কাগজ পত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া কার্য নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন করিবেন। কার্য নিবাহী পরিষদ অনুমোদন দেওয়ার পর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষর প্রদান করে বিধিমালা উপ কমিটিতে প্রেরণ করিবেন।
(গ) কল্যাণ তহবিল কমিটি পরিচালনার ক্ষেত্রে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি থাকিবে। যাহার সদস্য পদাধিকারবলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এবং অপর সদস্য কার্য নির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যদের সমর্থনে মনোনীত হইবেন ।
(ঘ) উপ-ধারা- ‘গ’-এ মনোনীত কমিটি প্রতি ৬ (ছয়) মাস অন্তর কল্যাণ তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করিবেন।
ধারাঃ ১৩- তহবিলের নিরাপত্তা
ক) সাধারণ তহবিল, কল্যান তহবিল ও অন্যান্য তহবিলের অর্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে এক বা একাধিক সরকারী বা বেসরকারী তফশিলী ব্যাংকে জমা রাখা যাইবে ।
খ) ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করিতে অর্থ সম্পাদকসহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে যেকোন দুই জনের যুক্ত স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন হইবে। তবে কোন কারণে অর্থ সম্পাদক অনুপস্থিত থাকিলে বা টাকা উঠাইতে অপারগতা প্রকাশ করিলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে টাকা উঠানো যাইবে। সেক্ষেত্রে কার্যনিবাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের কপি ব্যাংকে জমা দিতে হইবে।
গ) ইউনিয়নের তহবিলের অর্থ উত্তোলন, বিতরণ বা ব্যয়করণের ক্ষেত্রে যে কোন সমস্যার সৃষ্টি হইলে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন দায়ী থাকিবেন।
ঘ) ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করিতে হইলে কার্যনিবাহী পরিষদের পূর্বানুমতির পরিষদের স্বাক্ষরিত কার্য বিবরনীর ফটোকপি ব্যাংকে অবশ্যই দাখিল করিতে হইবে। প্রয়োজন হইবে। তবে ১০,০০০/- টাকার অধিক অর্থ উত্তোলন করিতে হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদের স্বাক্ষরিত কার্য বিবরণীর ফটোকপি ব্যাংকে অবশ্যই দাখিল করিতে হইবে।
(ঙ) যে কোন তহবিলের অর্জিত নগদ অর্থ পরবর্তী কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট একাউন্টে জমা দিতে হইবে এবং জমা দানের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত টাকা অর্থ সম্পাদকের নিকট রক্ষিত থাকিবে। কোন ক্রমেই নগদ অর্থ ব্যয় করিতে পারিবে না ।
(চ) অর্থ সম্পাদক দৈনন্দিন আবশ্যকীয় খরচাদি নির্বাহের জন্য সর্বাধিক ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা নিজের কাছে রাখিতে পারিবেন ।
ধারাঃ ১৪- হিসাব রক্ষণ
ক) ইউনিয়নের যাবতীয় আয়-ব্যয় বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর ৫৮ (ঘ) ফরমে সংরক্ষণ করিতে হইবে । সমস্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব পরীক্ষা করে উক্ত খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। প্রত্যেক আয় এবং ব্যয়ের ভাউচারের ক্রমিক নং এবং তারিখ উল্লেখ রাখিতে হবে। ইউনিয়নের চাঁদা বইয়ের নম্বর এবং রশিদের পাতা নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করিতে হইবে। হিসাব শাখায় একটি কম্পিউটারে হিসাবের সমস্ত বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। যদি কোন কর্মকর্তা বা সদস্য হিসাবের বহি পরিদর্শনে ইচ্ছা করেন তাহা হইলে তাহাকে ৭২ ঘন্টার লিখিত নোটিশে অফিস চলাকালীন সময়ে উহা পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
খ) প্রতি মাসের আয়-ব্যয় পরবর্তী মাসের প্রথম সাপ্তাহিক সভায় অবশ্যই দাখিল করিতে হইবে। ইহার দায়-দায়িত্ব অর্থ সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক সম্পূর্ণরূপে বহন করিবেন।
(গ) ইউনিয়নের যে কোন খরচের ভাউচার খরচ হওয়ার দিন থেকে ৭ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক সম্পাদকের মাধ্যমে অর্থ সম্পাদকের নিকট দাখিল করিতে হইবে। অর্থ সম্পাদক সংশ্লিষ্ট খরচের ভাউচার পরীক্ষা নিরিক্ষা পূর্বক মন্তব্য সহ ৩(তিন) দিনের মধ্যে উহা সাধারণ সম্পাদকের নিকট পেশ করিবেন । সাধারণ সম্পাদক ভাউচারগুলি পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক মন্তব্য সহকারে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ ভাউচার অনুমোদন করিলে অর্থ সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ভাউচারে স্বাক্ষর দান করিবেন।
ধারাঃ ১৫- হিসাব পরীক্ষা (অডিট)
ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মনোনীত কোন উপযুক্ত হিসাব পরীক্ষক বৎসরে কমপক্ষে একবার যাবতীয় হিসাব পরীক্ষা করিবেন। প্রতি বৎসর মার্চ মাস শেষ হওয়ার পূর্বেই বিগত বৎসরে অডিট করা হিসাব (বার্ষিক রিটার্ন) সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালক/রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন্স নিয়ন্ত্রকের সমীপে পেশ করিতে হইবে।
ধারাঃ ১৬- ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী পরিষদ
ইউনিয়নের যাবতীয় কার্য-পরিচালনার দায়িত্ব কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে।
কার্যনির্বাহী পরিষদের রূপরেখা নিম্নরূপ হইবে :-
(ক) সভাপতি - ০১ জন।
(খ) কার্যকরী সভাপতি - ০১ জন।
(গ) সিনিয়র সহ-সভাপতি - ০১ জন।
(ঘ) সহ-সভাপতি-০১ - ০১ জন।
(ঙ) সহ-সভাপতি-০২ - ০১ জন।
(চ) সাধারণ সম্পাদক - ০১ জন।
(ছ) যুগ্ম সম্পাদক - ০১ জন।
(জ) সিনিয়র সহ-সম্পাদক - ০১ জন।
(ঝ) সহ-সম্পাদক-০১ - ০১ জন।
ঞ) সহ-সম্পাদক-০২ - ০১ জন।
(ট) অর্থ সম্পাদক - ০১ জন।
(ঠ) শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদক - ০১ জন।
(ড) যুগ্ম শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদক - ০১ জন।
(ঢ) সাংগঠনিক সম্পাদক - ০১ জন।
(ণ) যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক - ০১ জন।
(ত) ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক - ০১ জন।
(থ) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক - ০১ জন।
(দ) দপ্তর সম্পাদক - ০১ জন।
(ধ) সহ দপ্তর সম্পাদক - ০১ জন।
(ন) কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(প) যুগ্ম কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(ফ) বন্দর বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(ব) যুগ্ম বন্দর বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(ভ) সহ-বন্দর বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(ম) অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক ০১ - ০১ জন।
(য) অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক ০২ - ০১ জন।
(র) অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক ০৩ - ০১ জন।
(ল) ইপিজেড বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন।
(শ) কার্য নির্বাহী পরিষদ সদস্য - ০৭ জন।
সর্বমোট = ৩৫ জন।
_________________________________________________________________
কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তা ও সদস্য সংকুচিত অথবা বর্ধিতকরণ বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক নির্ধারণ করা হইবে।
ধারাঃ ১৭- কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা
০১। ইউনিয়নের উন্নতি এবং ইহার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধনের জন্য গঠনতন্ত্রের অপরাপর বিষয়, ধারা ও উপ-ধারার সহিত সংগতি রাখিয়া কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবেন।
০২। কোন সাধারণ সদস্য যদি গঠনতন্ত্রের বিধি-বিধান লংঘন করে অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদের গৃহীত নির্দেশ/নিষেধ লংঘন করে, তবে সেক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত সাধারণ সদস্যদের প্রতি জরিমানা ধার্য্যসহ সতর্ক করা এবং গঠনতন্ত্র মতে তাহার সদস্যপদ বাতিল করার পদক্ষেপ গ্রহণে সক্ষম থাকিবেন। তবে সংশ্লিষ্ট সাধারণ সদস্যকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সূযোগ দেওয়া হইবে।
০৩। ইউনিয়নের উন্নয়নের লক্ষ্যে যে কোন আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবেন। তবে এরূপ পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্বে উক্ত কর্মসূচীর পূর্ণাংগ বর্ণনা প্রদান করতঃ উহার আলোকে বিশেষ সাধারাণ সভার সমর্থন গ্রহণ করিতে হইবে।
০৪। প্রতি তিন বৎসর পর পর ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে I
০৫। ইউনিয়নের সর্বপ্রকার তহবিলের প্রতি কার্যনির্বাহী পরিষদ অবশ্যই নজর রাখিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ সকল কর্মকর্তার স্ব-স্ব দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করিবেন। কোন ক্রমেই কোন কর্মকর্তার নিজস্ব দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি অথবা দায়িত্ব পালনে বিরত থাকার মত কোন পদক্ষেপ কার্যনির্বাহী পরিষদ গ্রহণ করিতে পারিবেন না ৷
০৬। কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনে অবশ্যই এক বা একাধিক উপ-কমিটি গঠন করিতে পারিবেন।
০৭। ইউনিয়নের উন্নতি, ইহার লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্য সাধনের জন্য যে কোন কাজ করিবার ক্ষমতা কার্যনির্বাহী পরিষদের থাকিবে । প্রয়োজনবোধে কার্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে যে কোন সংখ্যক পরামর্শক নিয়োগ করে তাহার/তাহাদের উপর প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ন্যস্ত করিতে পারিবেন।
০৮। নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ শপথ গ্রহণের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ইউনিয়নের সভাপতিকে নির্বাচন কমিশন করে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ১১ (এগারো) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করিবেন।
০৯। নির্বাচিত উপদেষ্টা পরিষদকে নির্বাচন কমিশন শপথ গ্রহণ করাবেন। উপদেষ্টা পরিষদ সার্বক্ষণিক কার্যনির্বাহী পরিষদকে সু-পরামর্শ ও সৎ উপদেশ দানে সহযোগীতা করিবেন । প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা মন্ডলীর সাথে যৌথ সভা আহবান করিলে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যগণ উক্ত যৌথ সভায় উপস্থিত থাকিবেন ।
১০। নতুন নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নতুন উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচিত করার পর পূর্বের উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত হবে।
ধারাঃ ১৮- কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য
(ক) সভাপতিঃ
(০১) সভাপতি ইউনিয়নের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন ।
(০২) সভার কার্যবিবরনীতে স্বাক্ষর দান করিবেন ।
(০৩) কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় কোন প্রস্তাবের উপর ভোট নিবেন এবং সংখ্যাধিক্য সদস্যের রায়ের উপর অনুমোদন দান করিবেন। প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দিলে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য তিনি নিজের ভোট ছাড়াও ০১ টি কাষ্টিং ভোট দিতে পারিবেন।
(০৪) প্রয়োজন মনে করিলে তিনি যে কোন সময়ে সকল দপ্তরের কর্যাদি পরিদর্শন ও তদারকি করিতে পারিবেন।
(০৫) ইউনিয়নের নিয়মবিধি সদা সর্বত্র অনুসরণ হইতেছে কিনা সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখিবেন ।
(০৬) প্রয়োজনবশতঃ কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের আলোকে কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী সভা আহবানের জন্য সাধারণ সম্পাদককে লিখিত অনুরোধ জানাইবেন এবং সাধারণ সম্পাদক সভা আহ্বানে ব্যর্থ হইলে তিনি নিজেই উক্ত সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
(০৭) কোন কারণ বশত : কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে ইউনিয়নের ক্ষতি হইবে বিরাজ করিতে দেখিলে সাধারণ সম্পাদক সহ আলোচনা করিয়া যথাযথ ব্যবস্থার উদ্যেগ গ্রহণ করিতে পারিবেন ।
(০৮) তিনি ইউনিয়নের যে কোন ক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদক সহ যুগপৎভাবে প্রতিনিধিত্ব করিবেন। ইউনিয়নের তহবিলের প্রতি নজর রাখিবেন ।
(০৯) কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিকাংশ/সংখ্যাগরিষ্ট কর্মকর্তার পদত্যাগের ফলে কার্যনির্বাহী পরিষদ অকার্যকর হইলে অথবা ২৫ ধারা মোতাবেক কোন পদক্ষেপ গৃহীত হইলে সভাপতি যথানিয়মে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান পূর্বক সঠিক ও সুনির্দিষ্ট কারণের আলোকে কার্যনির্বাহী পরিষদ ভাংগিয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করিতে পারিবেন। উক্ত সভায় এতদ্বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ ভাংগিয়া দিয়া ৯০ দিনের মধ্যে অত্র গঠনতন্ত্রের ১৯ ধারা মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচিয়া উপ-পরিষদ গঠন করিবেন। এতদক্ষেত্রে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনি অত্র সংগঠন ও গঠনতন্ত্রের অস্তিত্ব, রক্ষার্থে স্বীয় পদে- বহাল থাকিবেন।
(১০) অত্র ধারার ০৯ উপ ধারা মতে কার্যনির্বাহী পরিষদ বিশেষ সাধারণ সভার অনুমোদনক্রমে ভাংগিয়া গেলেও উক্ত বিশেষ সাধারণ সভায় - উপস্থিত সাধারণ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে অন্তবর্তীকালীন দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে সভাপতিসহ ৫(পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে পারিবেন।
উক্ত উপ-কমিটিতে ০১ (এক) জন সদস্য সচিব ও ০১ (এক) জন অর্থ সচিব থাকিবেন এবং ১৩ (খ) ধারামতে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের ব্যবস্থা নিতে পারিবেন। তবে সকল আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্তবর্তীকালীন পরিষদ মূল দায়িত্ব পালন করিবেন ।
(১১) আইন শৃঙ্খলা পরিচালনার ক্ষেত্রে সভাপতির মতামতই চুড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(১২) সভাপতি তাহার সকল কাজের জন্য সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন ।
(খ) কার্যকরী সভাপতিঃ
নিয়মবিধি অনুসারে ইউনিয়নের যাবতীয় কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সভাপতিকে সহযোগীতা করিবেন এবং সভাপতির অবর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন এবং ১৮ (ক) ধারা মোতাবেক কাজ চালাইবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সাধারণ সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(গ) সিনিয়র সহ-সভাপতিঃ
সিনিয়র সহ-সভাপতির কাজ হইবে নিয়ম বিধি অনুসারে ইউনিয়নের কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি সভাপতিকে সাহায্য করিবেন এবং সভাপতি ও কার্যকরী সভাপতির অবর্তমানে তিনি সভার কাজ পরিচালনা করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সাধারণ সদস্যগণের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ঘ) সহ-সভাপতি -০১
সহ-সভাপতি-০১ এর কাজ হইবে নিয়ম বিধি অনুসারে ইউনিয়নের কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি সভাপতিকে সাহায্য করিবেন এবং সভাপতি, কার্যকরী, সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি এর অবর্তমানে তিনি সভার কাজ পরিচালনা করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সাধারণ সদস্যগণের নিকট দায়ী থাকিবেন ।
(ঙ) সহ-সভাপতি -০২
সহ-সভাপতি-০২ এর কাজ হইবে নিয়ম বিধি অনুসারে ইউনিয়নের কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি সভাপতিকে সাহায্য করিবেন এবং সভাপতি, কার্যকরী, সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি-০১ এর অবর্তমানে তিনি সভার কাজ পরিচালনা করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সাধারণ সদস্যগণের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(চ) সাধারণ সম্পাদকঃ
০১। সাধারণ সদস্যদের প্রয়োজনে ইউনিয়নের পক্ষ হইতে তিনি সকল প্রকার দাবী দাওয়া উত্থাপন ও সমাধান কল্পে উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন।
০২। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি সকল দায়িত্ব পালন করিবেন এবং সকল প্রকার দলিল দস্তাবিজে স্বাক্ষর দান করিবেন।
০৩। সকল দপ্তরের উপর অর্পিত দায়িত্ববণ্টন ও তদারকি করিবেন এবং উহা সঠিকভাবে পালনে সাহায্য করিবেন।
০৪। যে কোন সভার আলোচ্যসূচী সভাপতি ও পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করিবেন।
০৫। সকল সাধারণ সদস্যের যাবতীয় অসুবিধা দূরীকরণ ও সূযোগ সুবিধা প্রাপ্তির সহায়তা করিবেন।
০৬। সকল সভার কার্যবিবরনী রক্ষণাবেক্ষন ও সিদ্ধান্ত সমূহ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
০৭। সকল আয় ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক হিসাব সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করিবেন। এই ব্যাপারে অর্থ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদকের সাহায্য গ্রহণ করিবেন।
০৮। প্রয়োজন বশতঃ ১০০০ (এক হাজার) টাকা পর্যন্ত খরচ করিতে পরিবেন বা খরচের অনুমোদন দানে সক্ষম হইবেন। উক্ত খরচের বিল অনুমোদন লাভের জন্য পরবর্তী কার্যনিবাহী পরিষদ সভায় পেশ করিবেন এবং অনুমোদন নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
০৯। ইউনিয়নের সকল কর্মচারীর প্রতি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করিবেন।
১০। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তনুযায়ী ইউনিয়নের যে কোন কর্মচারী নিয়োগ ও বরখাস্ত করিতে পারিবেন।
১১ । তিনি সভাপতি সহ যৌথভাবে ইউনিয়নের পক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করিবেন।
১২। সাধারণ সম্পাদক তাহার নিজস্ব দায়িত্বে সম্পন্নকৃত সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ছ) যুগ্ম সম্পাদকঃ
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে তিনি সাধারণ সম্পাদককে সর্বাত্নক সহযোগীতা করিবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন এবং ১৮ (ঙ) ধারা মোতাবেক কাজ চালাইয়া যাইবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(জ) সিনিয়র সহ-সম্পাদকঃ
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগীতা করিবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি যুগ্ম সম্পাদককে সহযোগীতা দান করিবেন এবং সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ঝ) সহ-সম্পাদক -০১
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে সাধারণ সম্পাদক কে সহযোগীতা করিবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি যুগ্ম সম্পাদক কে সহযোগীতা দান করিবেন এবং সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সম্পাদক-এর অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ঞ) সহ-সম্পাদক -০২
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগীতা করিবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি যুগ্ম সম্পাদককে সহযোগীতা দান করিবেন এবং সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক-০১ এর অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ট) অর্থ সম্পাদকঃ
০১। অর্থ উত্তোলন ও জমাদানের ক্ষেত্রে প্রধান দায়িত্ব পালন করিবেন।
০২। ইউনিয়নের যাবতীয় আয় ও ব্যয় খরচাদির হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ গঠনতন্ত্রের ১৪নং ধারা অনুসারে পালন করিতে বাধ্য থাকিবেন।
০৩। তিনি খরচের জন্য নগদ ৫০০০/- (পাঁচহাজার) টাকা তাহার হাতে রাখিতে পারিবেন।
০৪। অর্থ উত্তোলন জনিত বা আর্থিক হিসাবের অনিয়মের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে দায়বদ্ধ থাকিবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ঠ) শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদকঃ
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে/বহির্বিশ্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন শ্রম আন্দোলন, সমাবেশ, সেমিনার প্রভৃতি সম্বন্ধে খোঁজ খবরাদি রাখিবেন এবং তদ্বিষয়ে ইউনিয়ন অফিসে রীতিমত রেকর্ড রাখিবেন। সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যাদি যেমন- দুর্ঘটনা, মৃত্যু, চাকুরীচ্যুতি ও কর্মস্থলে যে কোন প্রকার হয়রানী প্রভৃতি প্রতিকারের ব্যবস্থা করিবেন। সদস্যদের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি দায়িত্ব পালন করিবেন। এই ব্যাপারে তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহিত সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করিবেন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করিবেন। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ড)যুগ্ম শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদকঃ
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদককে সহযোগীতা করিবেন। শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি শ্রম ও সদস্য কল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সভার নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ঢ)সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
তিনি সর্বদা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে ইউনিয়নের সাংগঠনিক কার্যাদি সম্পাদন করিবেন। ইউনিয়ন ও সদস্যদের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির স্বার্থে ও ইউনিয়নের সাংগঠনিক কার্যক্রম উত্তরোত্তর জোরদার করার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে কর্মসূচী গ্রহণ করিতে পারিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ণ)যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
ইউনিয়নের যাবতীয় কাজে সাংগঠনিক সম্পাদককে সহযোগীতা করিবেন। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ত)ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ
সদস্যদের চিত্ত বিনোদনের উদ্দেশ্যে ইউনিয়নের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করিবেন। তবে উক্ত বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত-চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(থ)প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ
কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত যে কোন প্রচার ও প্রকাশনা কাজ সুচারুরূপে সম্পাদন করার দায়িত্ব তাহার উপর ন্যস্ত থাকিবে। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(দ)দপ্তর সম্পাদকঃ
কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রমের নথিপত্র ও অফিসের বিভিন্ন ফাইল এর সঠিক ও সুচারুরূপে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দপ্তর সম্পাদক পালন করিবেন। বিভিন্ন সভার প্রস্তাবাবলী রক্ষণাবেক্ষণে তিনি সাধারণ সম্পাদককে সক্রিয়ভাবে সহযোগীতা প্রদান করিবেন। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ধ)সহ দপ্তর সম্পাদকঃ
কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রমের নথিপত্র ও অফিসের বিভিন্ন ফাইল পত্র সঠিক ও সুচারুরূপে রক্ষণাবেক্ষণ করার ক্ষেত্রে দপ্তর সম্পাদককে সহযোগিতা প্রদান করিবেন। দপ্তর সম্পাদকের অবর্তমানে তাহার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ন)কাস্টম বিষয়ক সম্পাদকঃ
অত্র ইউনিয়নের সদস্য তথা সকল সিএন্ডএফ কর্মচারীগণ কর্মরত অবস্থায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানী ও রপ্তানী চালানের কার্যাদি সম্পাদন কালে যে সকল অসুবিধার সম্মুখীন হইয়া থাকেন, কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক তাহা সমাধান করিবেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিয়া চলিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(প)যুগ্ম কাস্টম বিষয়ক সম্পাদকঃ
তিনি সার্বক্ষণিক কাস্টম বিষয়ক সম্পাদককে সহযোগিতা করিবেন এবং তাহার অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করিবেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিয়া চলিবেন। সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ফ)বন্দর বিষয়ক সম্পাদকঃ
ইউনিয়নের সদস্যগণ কর্মরত অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংরক্ষিত এলাকায় আমদানী ও রপ্তানী চালানের কার্যাদি সম্পাদন কালে সমস্যার সম্মুখীন হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক সমাধান করিবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিবেন। সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ব)যুগ্ম বন্দর বিষয়ক সম্পাদকঃ
সার্বক্ষণিক বন্দর বিষয়ক সম্পাদককে সহযোগিতা করিবেন এবং তাহার অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করিবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিবেন। সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ভ)সহ-বন্দর বিষয়ক সম্পাদকঃ
বন্দর বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম বন্দর বিষয়ক সম্পাদককে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করিবেন এবং তাহাদের অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করিবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিবেন। সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ম)অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক-০১
অত্র ইউনিয়নের সদস্য তথা সকল সিএন্ডএফ কর্মচারীগণ কর্মরত অবস্থায় চট্টগ্রামে অবস্থিত বিভিন্ন ইপিজেড এবং অফ-ডক ডিপো সমূহে আমদানী ও রপ্তানী চালানের কার্যাদি সম্পাদন কালে যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হইয়া থাকেন অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক উহা সমাধান করিবেন। তিনি তাহার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর বিষয়ক এর সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিয়া চলিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(য়)অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদকঃ-০২
তিনি অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক-০১ এর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে তাহাকে সহযোগিতা করিবেন এবং তাহার অবর্তমানে অফ-ডক সম্পাদকের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(র) অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদকঃ-০৩
তিনি অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক-০১ ও অফ-ডক বিষয়ক সম্পাদক-০২ এদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে তাহাদের কে সহযোগিতা করিবেন। এবং তাহাদের অবর্তমানে অফ-ডক সম্পাদকদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি তাহার সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(ল) ইপিজেড বিষয়ক সম্পাদকঃ
অত্র ইউনিয়নের সদস্য তথা সকল সিএন্ডএফ কর্মচারীগণ কর্মরত অবস্থায় চট্টগ্রামে অবস্থিত বিভিন্ন ইপিজেড এবং অফ-ডক ডিপো সমূহে আমদানী ও রপ্তানী চালানের কার্যাদি সম্পাদন কালে যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হইয়া থাকেন ইপিজেড বিষয়ক সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক উহা সমাধান করিবেন। তিনি তাহার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর বিষয়ক এর সাথে সর্বদা যোগাযোগ রক্ষা করিয়া চলিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(শ) কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যঃ
তিনি সর্বদা ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে ইউনিয়নের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় ক্ষেত্রে সহযোগিতা দান করিবেন এবং ইউনিয়নের সদস্যদের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির স্বার্থে কার্যনির্বাহী পরিষদ পূর্ব অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করিবেন। তাহার সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ, সাধারণ সভা ও সদস্যদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
ধারাঃ ১৯-নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রণালী
(০১) প্রতি তিন বৎসর পর পর গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদের পদ ভিত্তিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে। নির্বাচনের প্রার্থীগণ স্ব-স্ব পদে প্রচার কার্য চালাইবেন।
(০২) একাধিক পদের প্রার্থী যৌথভাবে কোন প্রচার পত্র বিলি করিতে পারিবে না। তবে সকল প্রার্থীর সম্মিলিত নির্বাচনী তালিকা সাধারণ সদস্যের জ্ঞাতার্থে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সরবরাহ করা হইবে।
(০৩) নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে তিন বৎসর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ৬০ (ষাট) দিন পূর্বে নির্বাচনে অভিজ্ঞ এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সাধারণ সভা অথবা বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদন পূর্বক ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করিবেন। যার মধ্যে ০১ (এক) জন চেয়ারম্যান ০১ (এক) জন সদস্য সচিব অপর ০৩ (তিন) জন সদস্য থাকিবেন। তাহাদের কাজ হইবে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের যাবতীয় নিয়ম-কানুন ও কর্মসূচী তৈরী করতঃ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা। নির্বাচন সংক্রান্ত কোন গোলযোগ দেখা দিলে নির্বাচন কমিশনের মতামতই চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(০৪) অত্র ইউনিয়নের সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মধ্যে যাহারা ইউনিয়নের মাসিক চাঁদা ও অন্যান্য সকল প্রাপ্য গঠনতন্ত্রের ৫ ‘ক’ ধারা মতে পরিশোধ করিবেন একমাত্র তাহারাই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবেন।
(০৫) নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৪৫ দিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করিতে হইবে এবং একই দিনে খসড়া ভোটার তালিকা নোটিশ বোর্ডে লটকাইতে হইবে। সাধারণ সদস্যদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশন সংরক্ষণ করিবেন।
(০৬) নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৭ (সাত) দিন পূর্বে উহার দিন তারিখ ও স্থান সহ বিস্তারিত বিষয় পরিচালক/রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস দপ্তরে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জানাইতে হইবে।
(০৭) সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন যে কোন নিয়ম বিধি জারী করিতে পারিবেন।
(০৮) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক-নির্বাচন অনুষ্ঠানের ২০ (বিশ) দিন পূর্বে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করিতে হইবে। তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পূর্বদিন তারিখ পর্যন্ত ইউনিয়নের বকেয়া চাঁদা পরিশোধ সাপেক্ষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে।
(০৯) নির্বাচনে কোন প্রার্থী কাস্টিং ভোটের ১/৪ (এক চতুর্থাংশ) ভোট প্রাপ্ত না হইলে তাহার জামানত বাজেয়াপ্ত হইবে।
ধারাঃ ২০-নির্বাচনে অংশ গ্রহণে অযোগ্যতা
(ক) কোন সদস্য বা কর্মকর্তার নিকট ইউনিয়নের অর্থ পাওনা থাকিলে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করিতে পারিবেন না। (খ) কোন কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তা তাহার মেয়াদকালীন সময়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা, বিশেষ সাধারণ সভা, মূলতবী বা তলবী সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা সহ অনুষ্ঠিত সকল সভার ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) সভায় উপস্থিত থাকিতে ব্যর্থ হইলে পরবর্তী নিকটতম নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করার অযোগ্য হইবেন। (গ) কোন সদস্য বা কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা যদি ইউনিয়নের স্বার্থ পরিপন্থী কাজে জড়িত বলে বিবেচিত হন এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কারণ দর্শানো নোটিশ জারী হওয়ার পর জবাব দানে বিরত থাকেন অথবা তৎবিষয়ে কোন সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য হবেন।
ধারাঃ ২১-কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তা ও সদস্যদের অপসারণ
ইউনিয়নের স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবেচিত হয় এমন কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট এক বা একাধিক কর্মকর্তা বা সদস্যকে বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সাধারণ সদস্যের ভোটে ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী পরিষদ হইতে অপসারণ করা যাইতে পারে। তবে ইহার পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য পূর্ণাঙ্গ সুযোগ দিতে হইবে।
ধারাঃ ২২-শূন্য পদ পূরণ
কোন কারণে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন পদ শূন্য হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত শূন্য পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্য দ্বারা পূরণ করিতে পারিবে। তবে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যদি দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করে উক্ত শূন্য পদ উপযুক্ত সাধারণ সদস্য দ্বারা পূরণ করা যাইবে। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী সাধারণ সভার অনুমোদন নিতে হইবে।
ধারাঃ ২৩- সভা
(ক) বার্ষিক সাধারণ সভা
প্রতি বৎসর ইউনিয়নের একবার বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হইবে। মার্চ মাস শেষ হইবার পূর্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হইবে। সভার তারিখ, সময়, স্থান এবং আলোচ্য বিষয় সমূহ কার্যনির্বাহী পরিষদ পূর্বাহ্নে নির্দিষ্ট করিবেন।
(খ) বিশেষ সাধারণ সভা
ইউনিয়নের আন্দোলন অথবা বিশেষ প্রয়োজনে কমপক্ষে এক সপ্তাহের নোটিশে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করা যাইতে পারে।
(গ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা
প্রতি মাসের প্রথম ও তৃতীয় বুধবার (কোন প্রকার বন্ধ না থাকিলে) কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা অনুষ্ঠিত হইবে। কোন কর্মকর্তা বা সদস্য পর পর তিনটি সভায় লিখিত অবগতি ব্যতীত অনুপস্থিত থাকিলে তাহার সদস্য পদ হারাইবেন। তবে কোন কর্মকর্তা বা সদস্য পর পর দুটি সাপ্তাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকার পরেই কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তাহার বর্তমান ঠিকানায় অথবা কর্মরত প্রতিষ্ঠানে লিখিত নোটিশ মারফত বিষয়টি জানাইতে অবশ্যই বাধ্য থাকিবেন।
(ঘ) তলবী সভা
যদি সাধারণ সম্পাদক অথবা সভাপতি ঠিক সময় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহ্বান না করেন সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব সহকারে আলোচনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) কর্মকর্তা/সদস্য লিখিতভাবে সাধারণ-সম্পাদক অথবা সভাপতিকে সভা আহ্বান করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন। যদি অনুরূপ কোন অনুরোধের পর ৭ (সাত) দিনের মধ্যে তাহারা কোন সভা আহ্বান না করেন, তাহা হইলে দরখাস্তকারীগণ নিজেরাই কোন নির্দিষ্ট স্থানে ও সময়ে সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) কর্মকর্তাদের ভোটে পাশ হইয়া গেলে কার্যনির্বাহী পরিষদ আইনত: উহা মানিয়া লইতে বাধ্য থাকিবেন। এইরূপ সভা করিবার ০৭ (সাত) দিন পূর্বে দরখাস্তকারীগণ সভার নোটিশ প্রদান করিবেন।
(ঙ) মূলতবী সভা
কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা কোন কারণে মূলতবী হইলে পরবর্তী সভা উক্ত মূলতবী সভা হিসাবে অনুষ্ঠিত হইবে।
ধারাঃ ২৪-সভার নোটিশ
(ক) সভাপতির সহিত আলোচনা করিয়া সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়নের সকল সভার স্থান, সময় এবং আলোচ্যসূচী নির্ধারণ করিবেন। (খ) বার্ষিক সাধারণ সভা কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে এবং বিশেষ সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় ৭ (সাত) দিন পূর্বে সভার নোটিশ প্রদান করিতে হইবে। (গ) জরুরী অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতির সহিত আলোচনা করিয়া সাধারণ সম্পাদক অপেক্ষাকৃত কম সময়ের নোটিশে বিশেষ সাধারণ সভা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। সভাপতি সুনির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাধারণ সম্পাদককে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন সভা আহ্বান করার জন্য লিখিত ভাবে অনুরোধ জানানো পর সাধারণ সম্পাদক সভা আহ্বান করিতে ব্যর্থ হইলে সভাপতি নিজেই সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
ধারাঃ ২৫- সভায় সদস্য (কোরাম)
ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভায় মোট সদস্যের অধিকাংশ অর্থাৎ শতকরা ৫০ জনের বেশী সদস্য উপস্থিত থাকিলে কোরাম হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায়ও অনুরূপভাবে অধিকাংশ সদস্য উপস্থিত থাকিলে কোরাম হইবে।
ধারাঃ ২৬- ইউনিয়নের সংবিধান সংশোধন
ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র অথবা উহার কোন ধারা পরিবর্তন, সংশোধন, সংযোজন অথবা সংক্ষিপ্ত করণ করিতে হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সভায় উপস্থিত ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য এর ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হইলে কেবল উহা করা সম্ভব হইবে এবং সংশোধিত গঠনতন্ত্রের ০৩ টি কপি সাধারণ সভার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে পরিচালক /রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন এর অনুমোদনের জন্য দাখিল করিতে হইবে। রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন হইলে উহা কার্যকরী হইবে, অন্যথায় হইবে না।
ধারাঃ ২৭- অনাস্থা প্রস্তাব
চাঁদা প্রদানকারী সাধারণ সদস্যের শতকরা ৬৬ জন ঐক্যমতে প্রতিষ্ঠিত হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ অথবা কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপরোক্ত সংখ্যক সদস্যের দস্তখত সম্বলিত দরখাস্তের মাধ্যমে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করিতে পারিবেন। এইরূপ অনাস্থা প্রস্তাব আনয়নের ১৫ (পনের) দিন এর মধ্যে সভাপতি বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করিয়া উক্ত প্রস্তাব আলোচনা করিবেন এবং মোট সদস্যের শতকরা ৬০ (ষাট) জনের ভোটে উক্ত প্রস্তাব পাশ হইয়া গেলে উক্ত সভায় একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করিবেন। যদি অনাস্থা প্রস্তাব সম্বলিত দরখাস্ত প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে তিনি সভা আহ্বান করিতে ব্যর্থ হন তাহা হইলে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়নকারীগণ নিজেরাই নির্দিষ্ট স্থানে ও সময়ে সভা আহ্বান করিয়া উপরোক্ত উপায়ে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করাইয়া নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবেন।
ধারাঃ ২৮- ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত
ইউনিয়নের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ইচ্ছানুযায়ী ইউনিয়ন বাংলাদেশে যে কোন রেজিস্টার্ড শ্রমিক সংস্থা অথবা ফেডারেশনের সহিত অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে। অন্তর্ভুক্ত ফেডারেশন ইউনিয়নের পক্ষে যে কোন স্থানে বা ফোরামে প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবেন।
ধারাঃ ২৯- ইউনিয়নের নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন
বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর ১৭৪ ধারা মোতাবেক ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করার জন্য এতদুদ্দেশ্যে আহূত সাধারণ/বিশেষ সাধারণ সভায় ইউনিয়নের মোট সদস্যের অধিকাংশের সমর্থনে ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করা যাইবে। অনুরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে পরিচালক/রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন বরাবরে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উহা অনুমোদনের পর কার্যকরী হইবে।
ধারাঃ ৩০- ধর্মঘট
কোন বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে সেই বিষয়ে আপোষ রফা হইবার সর্ব উপায় শেষ ও প্রচেষ্টা ব্যর্থ না হওয়া পর্যন্ত ইউনিয়ন কোন ধর্মঘট আহ্বান করিতে পারিবেন না। ধর্মঘট আহ্বানের পূর্বে মালিকপক্ষ কর্তৃক গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সদস্যদের মতামত জানিয়া লইতে হইবে এবং ২/৩-তৃতীয়াংশ সদস্য ধর্মঘটের পক্ষে রায় না দিলে ধর্মঘট নোটিশ প্রদান করা যাইবে না। ধর্মঘটের উপর সরকারী কোনরূপ বিধি নিষেধ থাকিলে এই ধারাটি কার্যকরী হইবে না।
ধারাঃ ৩১- ইউনিয়নের পরিসমাপ্তি
ইউনিয়নের ৩/৪ (তিন চতুর্থাংশ) সদস্য সমবেত না দাঁড়াইলে অথবা চলিয়া না গেলে ইউনিয়ন ভঙ্গ হইবে না বা উহার পরিসমাপ্তি ঘটিবেনা। অনুরূপ অবস্থা ঘটিলে বিশেষ সাধারণ সভায় গৃহীত প্রস্তাবাবলীর এক কপি ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের নিকট কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে পেশ করিবেন। উক্ত প্রস্তাবে ইউনিয়নের যাবতীয় বিষয় সম্পত্তির হিসাব ও বণ্টন ব্যবস্থার উল্লেখ থাকিতে হইবে।
এই গঠনতন্ত্রে ১ হইতে ৩১ টি ধারা রয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস্ এজেন্টস্ এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন
এখানে সংশোধিত সংগঠনতন্ত্রের সমাপ্তি ঘোষণা করা হইল।
